খুলনা, বাংলাদেশ | ১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁওতে ছাতার চাহিদা তুঙ্গে, দাম চড়া

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও

কখনো মেঘ,কখনো রোদ বা থেমে থেমে হচ্ছে বৃষ্টি। বর্ষার মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির দিনে ছাতার চাহিদা তুঙ্গে আর বেড়েছে বিক্রি। দামে চড়া। সহজে বহনযোগ্য, মান এবং দামের কারণে মাঝারী ছাতার চাহিদা একটু বেশি।সরেজমিনে নিউ মার্কেট, রহমানিয়া মার্কেট, বঙ্গ মার্কেট হাজী মার্কেট,বেদার মার্কেটসহ বাজারে পশ্চিমের গলি ঘুরে দেখা যায়, রহমান, শংকর,শরীফ,অ্যাটলাস ও মুন ব্র্যান্ডের ছাতার চাহিদা বর্তমানে বেশি। এছাড়া ও নানান দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের ছাতা মিলছে ঈদগাঁও বাজারে। কয়েকটি মাস ছাতার চাহিদা একটু বেশি থাকে।দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারে বিভিন্ন মার্কেটসহ শপিংমলেই ছাতার সমাহার। হরেক রংঙ্গের ছাতা চোখে পড়ে। তবে দাম নিয়েই আপত্তি উঠে ক্রেতাদের মাঝে। একটু ভাল মানের হলেই ৫/৬ শত টাকা, মাঝারী দামের ৩/৪শ টাকা কম দামি মানে ২শ ৫০ থেকে ৩শ টাকা একেবারে ছোট সাইজ ছাতি একেকটা  একেক দামে বিক্রি করা হচ্ছে। আরো দেখা যায়,নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরা কিনছেন ছাতা। ছাত্রীদের এক কালার ও ডিজাইন করা ছাতা পছন্দনীয়। ছাত্ররা কালারে দিকে দৃষ্টি না রেখেই ভালমানের ছাতার প্রতি ঝুঁকছেন। ছাতা কিনতে আসা আইরিন জানান, ডিজাইন ও দামে ভালোটা নেবো। এখন যেকোন সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। বৃষ্টি না হলেও গরমে মধ্যে ছাতা লাগে। অতিরিক্ত গরমেও ছাতা ব্যবহার করা যায়।পশ্চিম গলির ছাতা বিক্রেতা অসীমের মতে,বৃষ্টির সময়ে ছাতা বেশি বিক্রি হয়। বৃষ্টির দিন ছাড়া ছাতার চাহিদা তেমন থাকেনা। ক্রেতা আসলেই চাহিদা অনু পাতে বিক্রি করে যাচ্ছি ছাতা। আরেক বিক্রেতা জানান, ছাতার রঙ আকর্ষণীয় হলে মাঝ বয়সীদের কাছে বিদেশি ছাতার চাহিদা বেশি। মেয়ে ও ছেলেদের ছাতা আলাদা হয়। এক রঙ ও দেশিয় ছাতার দাম একটু বেশি। ক্রেতারা মানের চেয়ে ডিজাইনের দিকে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT